1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় রাত ৪:৪২
শিরোনাম
ফৌজদারী মামলার আসামী ও সাংবাদিক নির্যাতনের দায়ে ওসডিতে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট আছেন স্বপদে গ্রাম গঞ্জে বাড়ি করতে ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতি লাগবে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাব চালু করলো মানবিক হেল্প ডেস্ক আবারও সুন্দরবনের দাসের ভারানীর এলাকায় আগুন পাবনায় গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গৌরীপুরে শুভ্র হত্যার চার্জশীট দাখিল,পৌর-মেয়রসহ আসামী ১৯ জন ময়মনসিংহে জুয়া খেলার সময় ১৪ জন আটক। করোনাকালীন কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে ছুটছেন নলছিটির ইউএনও! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তারাকান্দায় বেতন পেল সেই অসহায় ঝালকাঠির নলছিটিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন

পাবনার ২৬ টি সিনেমা হলের ২৫ টিই বন্ধ

বাকী বিল্লাহ: (পাবনা) জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : রবিবার, এপ্রিল ৪, ২০২১,
  • 58 দেখুন

এক সময় দর্শকের করতালিতে মুখরিত সিনেমা হলে আজ সুনসান নীরবতা। সেসব এখন শুধুই স্মৃতি। পাবনার প্রথম গড়ে ওঠা “বাণী হল” আর নব্বই দশকে একই স্থানে নির্মিত “বীণা হল” ১২-১৩শ দর্শকে ভরপুর থাকত। তবে প্রতিষ্ঠার ৭২ বছর পর ২০১৮ সালে বাণী ও নব্বই দশকে স্থাপিত বীণা লোকসানের কারণেই বন্ধ হয়ে যায়। কথাগুলো বলছিলেন “বাণী-বীণা” সিনেমা হলের মালিক মো. আনিস।

শুধু ঐতিহ্যবাহী “বাণী-বীণা” নয়, ব্যবসায়িক মন্দার কারণে পাবনায় ২৬ সিনেমা হলের ২৫টিই বন্ধ হয়ে গেছে। পাবনা শহরে শুধু “রূপকথা” সিনেমা হলটি চালু রয়েছে কোনোমতে। ঈশ্বরদী, ভাঙ্গুড়া এবং চাটমোহরে বিশেষ কোনো উৎসব উপলক্ষে দু-একটি সিনেমা হল চালু করা হয়। লোকসানের বোঝা টানতে না পেরে সিনেমা হল বন্ধ করে ভবন বিক্রি বা অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকেরা।

পাবনার সদর উপজেলায় সিনেমা হল ছিল পাঁচটি। বাণী, বীণা, রূপকথা, অনন্ত ও আনন্দ। জেলার সবচেয়ে পুরনো সিনেমা হল আব্দুল হামিদ সড়কে “অরোরা টকি” যা পরে “বাণী” নামে পরিচিত হয়। বাণী সিনেমার পশ্চিমে গাঁ ঘেঁষে একই মালিক গড়ে তোলেন বীণা হল। এ দুই সিনেমা হলের মালিক ও পাবনার গোপালপুর লাহিড়ীপাড়া মহল্লার স্থায়ী বাসিন্দা মো. আনিস জানান, হল ব্যবসা তার দাদা (মৃত) মো. ইউসুফ শুরু করেন ১৯৪৮ সালে। দাদার পরে বাবা (মৃত) মো. ইউনুস ব্যবসার হাল ধরেন। মো. ইউনুস ১৯৯০ সালে বাণী হল ঘেঁষে “বীণা” সিনেমা হলটি গড়ে তোলেন। ৫৬ বছরের আনিস কলেজে পড়া অবস্থায় ১৯৮৬ সালের দিকে বাবার সঙ্গে হলের ব্যবসা দেখভাল শুরু করেন। দাদার আমলের ব্যবসার সুবাদে শৈশব-কৈশর-যৌবনে হলের রমরমা ব্যবসা দেখেছেন মো. আনিস। সেই সময়ের সুখকর স্মৃতি আজও তার মনে দোলা দেয়। জানান, দর্শকের উপচে পড়া ভিড়, টিকিট কাটতে ধাক্কাধাক্কি, শব্দ-সঙ্গীত আর করতালিতে মুখর থাকত হল। জায়গার সংকুলান না হওয়ায় অনেক সময়ই নিজেদের বসার জায়গায় দর্শকদের নিয়ে আসা হতো।

দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তিনি জানান, আমার যৌবন কাল থেকেই সিনেমা ব্যবসায় ধ্বস নামে। হলকেন্দ্রিক প্রায় দেড়-দুশ লোকের কর্মসংস্থান ছিল। আশপাশের দোকান বা ভ্রাম্যমাণ কতজন যে হলনির্ভর দোকান করেছিলেন তার ইয়ত্তা নেই। প্রতিষ্ঠার ৭২ বছর পরে ক্রমাগত লোকসান দিতে দিতে নিরুপায় হয়ে পড়েন। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, মাসের পর মাস বিদ্যুৎ বিল মিলিয়ে লোকসান বেড়েই চলছিল। তাই বাধ্য হয়ে দুটি হলই ২০১৮ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে বন্ধ করে বাধ্য হই। হল দুটি ভেঙে বিশাল জায়গা জুড়ে এখন ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এখানে বহুতল বিশিষ্ট মার্কেট ও অ্যাপার্টমেন্ট হবে বলে তিনি জানান। এদিকে মোবারক হোসেন রত্ন প্রতিষ্ঠিত পাবনার এক সময়ের সাড়া জাগানো অনন্ত সিনেমা হল এখন গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। একই মালিকের রূপকথা হল টিকে আছে কোনো রকমে। আনন্দ হল বন্ধ হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগেই।

জানা গেছে, ঈশ্বরদীতে ছয়টি সিনেমা হলের মধ্যে একটিও চালু নেই। রাজু সিনেমা হলটি উৎসবে চালু থাকে। স্বপ্না, রাজমনি, প্লাজা, ঝলক ও সেতু হল বন্ধ রয়েছে ১০-১২ বছর ধরে। ভাঙ্গুড়ার তিনটি সিনেমা হলের মধ্যে তিন বছর আগেও চালু ছিল মৌচাক। এখন বিশেষ কোনো উপলক্ষে কয়েকদিন চালু থাকে। আর পাইলট ও রংধনু হল বন্ধ রয়েছে ২০-২২ বছর।চাটমোহরে তিনটির মধ্যে কোনোরকমে চলছিল লাভলী হলটি। সেটিও এখন বন্ধ। আর প্রেরণা ও অর্পণ হল দুটি বন্ধ ১৪-১৬ বছর ধরে। এছাড়া বেড়া উপজেলায় ইছামতি ও মন্দিরা হল দুটি বন্ধ আট থেকে ১০ বছর ধরে। ফরিদপুর উপজেলার দুটি সিনেমা হলের মধ্যে মধুমিতা কোনোমতে চালু ছিল। এখন সেটিও বন্ধ হয়েছে। এক যুগ ধরে বন্ধ বলাকা সিনেমা হলটি। আটঘরিয়ার একমাত্র উপহার সিনেমা হলটি ১৫ বছর ধরে বন্ধ। সুজানগরের নন্দিতা হল ১০ বছর এবং সাঁথিয়ার তিনটি হল শাপলা, সাথী ও সোহাগ বন্ধ ১৫-২০ বছর ধরে। কাশীনাথপুরে যে সিনেমা হলটি ছিল সেখানে এখন তার কোনো নিশানা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখন সেখানে বিপণি বিতান গড়ে উঠেছে। পাবনার অন্যতম বিপণি কেন্দ্র আতাইকুলায় একটি মাত্র সিনেমা হল বন্ধ ও বিক্রি হয়ে গেছে। এখন সেখানে গড়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

কবি ও গীতিকার আলাউল হোসেন নামের এক দর্শক বলেন, একসময় পরিবার নিয়ে হলে ছবি দেখতাম। এখন হলে যাওয়া হয় না। হলের পরিবেশও আগের মতো নেই। এছাড়া এখনকার সিনেমার কাহিনী দর্শক টানতে পারে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X