1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় সকাল ৭:৫৩
শিরোনাম
মাধবপুরে নতুন ইউএনও হিসেবে যোগ দিচ্ছেন আশেকুর হক। মুজিবনগরে দেশের প্রথম গার্ড অব অনার প্রদান করে আনসার বাহিনী – কমান্ড্যান্ট মেহেদী হাসান ময়মনসিংহের ভালুকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৩ সাংবাদিকদের নামে মামলা-হামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবীতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পরকীয়ার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ঈশ্বরগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগ থাকায় ৩৮ দিন পর তরুণীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন। নরসিংদী পলাশ উপজেলায় চলছে দুই ইউনিয়ন নির্বাচনের ভোট পটুয়াখালীর বাউফলে ভোট কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ ঝালকাঠি উৎসব মূখর পরিবেশে পৌরসভা ও ইউপির ভোট গ্রহণ চলছে। কুড়িগ্রামে ভুমিহীন ১১শ পরিবার পেল জমিসহ স্থায়ীনিবাস

ঝুঁকিপূর্ণ! তুবও পেশা বদলানোর ইচ্ছে নেই মৌয়াল আনোয়ারের!

আবু-হানিফ, বাগেরহাট অফিসঃ
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১,
  • 67 দেখুন
sdr

৩০বছর ধরে সুন্দরবন থেকে মধু সংগ্রহ করছেন বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের বনসংলগ্ন দক্ষিণ চালিতাবুনিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন আকন (৫০)। ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও হতদরিদ্র বাবার সংসারের হাল ধরতে মাত্র ২০বছর বয়সে গহীন বনে মধু আহরণে নেমে পড়েন। এই পেশাকেই এখন আপন করে নিয়েছেন তিনি। একবার প্রাণসংসয়ে পড়তে হয়েছে তার ও তার দলের সদস্যদের। জলে কুমির-বনে বাঘ ছাড়াও অসংখ্য হিং¯্র প্রাণির ভয় উপেক্ষা করে মধু সংগ্রহ করতে হয়। মধু সংগ্রহে রয়েছে নানা প্রতিকূলতা। তবুও পেশা বদলানোর ইচ্ছে নেই তার।

আনোয়ার আকন জানান, চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি মেজ। অভাবের কারণে লেখা-পড়া করতে পারেননি। ছোটবেলা থেকেই বাবা নূর মোহাম্মাদের মধু সংগ্রহ দেখে দেখে অভ্যস্ত। বাবার কাছ থেকে শুনে কৌশলও আয়ত্ম করেছেন মধু সংগ্রহের। অতপর ১৯৯০ সালের দিকে বাবার সঙ্গে বনে যান। প্রথম তিন বছর বাবার সঙ্গে এবং অন্যের নৌকায় ভাগি হিসেবে মধু ভাঙতে যেতেন বনে। পরে ১১জনকে নিয়ে নিজেই একটি গ্রুপ তৈরী করে মধু সংগ্রহ শুরু করেন। তখন মৌসুমের দুই-আড়াই মাসে ৭০-৮০কেজি করে মধু পেতেন একেকজন। ওই সময় এক মন মধু বিক্রি হতো আট হাজার থেকে দশ হাজার টাকায়। এখন এক মন মধু পাইকারী ২০-২২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধু বিক্রি করতে তেন সমস্যা না হলেও দাদনের জালে তার মতো অনেকই আটকে আছেন।

আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, অনেকেই মশাল জ্বালিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করছে। বিশেষ করে যারা অসচেতন আবার যারা বনবিভাগ থেকে পাস না নিয়ে অবৈধভাবে মধু ভাঙছে তারা মৌমাছি ও চাক আগুন দিয়ে ধ্বংস করছে। যার কারণে প্রকৃত মধু সংগ্রহকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

একবার প্রাণ সংসয়ে পড়েন আনোয়ার হোসেন ও দলের সদস্যরা। শ্বাসরুদ্ধকর সেই দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ২০মার্চের ঘটনা। বনে মধু ভেঙে ওইদিন বিকাল ৪টার দিকে কটকার ছোট চিত্রার খালে অবস্থান করছিলাম। এমন সময় বনদস্যু বেল্লাল হোসেন ওরফে ফেরাউন বেল্লালের বাহিনী আমাদের নৌকা দেখে তাদের কাছে যেতে বললে আমরা দ্রুত নৌকা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করি। এরইমধ্যে পেছন থেকে এলোপাতালি গুলি চালায়।

১৫-২০রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এতে আমার নৌকার তিনজন মৌয়াল গুলিবিদ্ধ হয়। প্রথম গুলিটা আমার ডান কানের পাস থেকে ফসকে সহযোগী মৌয়াল সোহাগ হাওলাদারের তলপেটে গিয়ে লাগে। এরপর একে একে লিটন হাওলাদারের পিঠে এবং মাহাবুল তালুকদারের ডান হাত ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে দস্যুরা আমাদের নৌকায় উঠে সাত মন মধুসহ আমাকে এবং সহযোগী রশিদ পেয়াদা ও রাজ্জাক তালুকদারকে তুলে নিয়ে যায়। আমি কৌশলে দস্যুদের ট্রলার থেকে লাফিয়ে নদীতে পড়ে পালিয়ে আসি। এর পরে কটকার বনরক্ষীরা খবর পেয়ে গুলিবিদ্ধ তিনজনসহ আমাদেরকে উদ্ধার করে শরণখোলা হাপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খুলনায় পাঠায়। তাদের চিকিৎসায় আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়। তাছাড়া, ঘটনার ২৪দিন পরে ওই দুই মৌয়ালকে ৭০হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে দস্যুদের কবল থেকে ছাড়িয়ে আনি।

আনোয়ার হোসেন আরো জানান, বর্তমানে পাসের মেয়াদ ১৫দিন হওয়ায় পরবর্তী পাসের জন্য তাড়াহুড়া করতে হয়। মধু আহরণে প্রযুক্তিগত কোনো প্রশিক্ষণ নেই। তারা যে মধুটা সংগ্রহ করে তা স্বাস্থ্যসম্মতও নয়। হাত দিয়ে চটকে মৌচাক থেকে মধু বের করতে হয়। তাদের নেই নির্দিষ্ট পোষাক-জুতা। সাধারণ জামা পরে মুখে গামছা পেঁচিয়ে শরীরে মৌমাছির কামড় খেয়ে চাক ভাঙেন তারা। তাছাড়া, দুর্গম বনের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা কোনো কারণে আহত হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। এতে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয় মৌয়ালসহ বনজীবীদের।

তার দাবি, পাসের মেয়াদ ৩০দিন, মধু সংগ্রহে প্রশিক্ষণ, পোষাক, চাক থেকে মধুর বের করার আধুনিক প্রযুক্তি, বনে ভাসমান চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন ও সহজ সর্তে ঋণ প্রদান করলে মৌয়ালরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি মানসম্মত মধু পাওয়া সম্ভব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X