1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ২৫শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সময় দুপুর ১২:৩৭
শিরোনাম
বিএনপি নেতাকে শেষ বিদায় জানালেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি। গলাচিপায় গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হলেন দুলাল প্যাদা প্রেমিকসহ স্ত্রীকে আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের হাতে দিলেন স্বামী ঝালকাঠিতে ব্রীজের কাজে ব্যবহৃত সরকারি মালামাল উদ্ধার, আটক-১ সিলেটের বন্যার্ত মানুষের পাশে মনোহরদীর ইউসুকা ফাউন্ডেশন খোলা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি, আটক ১ ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট নিহত বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কুড়িগ্রাম জেলা সংসদের ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত পূর্ব শত্রুতার জেরে এক গ্রামে ৬ পরিবারের ঘরবাড়ির লুটপাটের অভিযোগ ভাদাইমা’ খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী মারা গেছেন।

রাস পূজায় অংশ নিতে দুবলার পথে তীর্থযাত্রী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, হচ্ছে না রাস মেলা

আবু- হানিফ, বাগেরহাট অফিসঃ
  • আপডেটের সময় : সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০,
  • 116 দেখুন

সনাতন (হিন্দু) ধর্মের দেবতা নীল কমল ও গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে পূজা দিতে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে তীর্থযাত্রী ও সনাতন (হিন্দু) ধর্মাবলম্বীরা। দূবলার চর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে পুণ্যস্নানে পাপ মোচনের আশায় প্রতিবছর কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এ রাস পূজাকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী, হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও দেশি-বিদেশী পর্যাটকদের আগমন ঘটে দুবলার আলোকোলে।

এসময় পূজার-অর্চনার পাশাপাশি এ উপলক্ষ্যে পাঁচদিন ব্যাপি মেলার আয়োজন করা হয়।আর এ মেলাই মূলত রাস মেলা হিসাবে পরিচিত।তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার দুবলার চরে শত বছরের ঐতিহ্যবাহি রাস উৎসব বা মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।শুধুমাত্র সনাতন (হিন্দু) ধমবলম্বীদের রাস পূর্ণিমায় পূজা ও পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।রবিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাস পূজা ও সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে পূন্যস্নানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের রাস পূজা। গেল বছর (২০১৯) সালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে কারণে রাস পূজা ও পূন্যস্নান উপলক্ষে রাস মেলা বন্ধ ছিলো।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ জানায়,করোনা স্বাস্থ্য বিধি মেনে শর্তে সাপেক্ষে শুধু সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজা ও পূন্যস্নানে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।করোনা সংক্রমণ এরাতে সুন্দরবনে প্রবেশ থেকে শুরু করে সার্বক্ষনিক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে ভক্ত বৃন্দের। রাসপূজা গামী সকল জলযানে এবং পূজা স্থলে পর্যাপ্ত পরিমান স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী (হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ) রাখতে হবে। রাস পূজার জন্য প্রবেশের অনুমতিপ্রাপ্ত সকলকে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে বন বিভাগ ও আইনশৃংখলায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা তাদের সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র পরীক্ষা করবেন।কোন ট্রলার বা লঞ্চে ৫০ জনের বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না।এবারের রাস পূজায় আইন শৃংখলা রক্ষার্থে বনরক্ষীদের পাশাপাশি র‌্যাব-৬ খুলনা,কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলা,বাংলাদেশ নৌবাহিনী,বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটও নিয়োজিত থাকবেন।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান,এবারের রাস পূজায় প্রবেশের জন্য পাঁচটি রুট নির্ধারণ করা হয়েছে।রুটগুলো হচ্ছে,বুড়িগোয়ালিনি,কোবাদক থেকে বাটুলা নদী-বল নদী-পাটকোষ্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী অতপর দুবলার চর।কয়রা,কাশিয়াবাদ, খাসিটানা,বজবজা হয়ে আড়–য়া,শিবসা নদী মরজাত হয়ে দুবলার চর।নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর।ঢাংমারী-চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোনা দ্বীপ হয়ে দুবলার চর। বগী-বলেশ্বর-সুপতি কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।

উল্লেখ্য,দুবলার চরের ঐতিহাসিক এই রাসমেলার ইতিহাস বেশ পুরনো।প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী,ঠাকুর হরিচাঁদের অনুসারী হরিভজন নামের হিন্দু সাধু এ মেলার প্রচলন করেছিলেন।প্রায় দুই যুগ ধরে তিনি সুন্দরবনে বিভিন্ন গাছের ফলমূল খেয়ে অলৌকিক জীবন-যাপন করতেন। অনেকের আবার বিশ^াস,শ্রীকৃষ্ণ শত বছর আগের কোনো এক পূর্ণিমা রাতে পাপমোচন ও পুণ্যলাভের উদ্দেশ্যে স্বপ্নে গঙ্গাস্নান করেন।সেই থেকে শুরু হয় রাসমেলা।কারও কারও মতে, শারদীয় দূর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ।এ উপলক্ষেই দুবলার চরে রাসমেলা হয়ে থাকে।তবে স্থানীয় লোকালয়ে এই মেলা নীল কমল নামে পরিচিত।এ মেলায় সনাতন ধর্মালম্বীরা তাদের দেবতা নীল কমল ও গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে পূজা দেন।

আলোরকোল,নারকেল বাড়ীয়া,মাঝের কেল্লা,শেলা ও মেহেরআলীর চর নিয়ে মূলত দুবলার চর। শীত মৌসুমে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরে জেলেরা এ চর গুলোতে শুটকি প্রক্রিয়ার কাজ করে থাকে। দুবলারচরের যে স্থানে মেলাটি হয়, তার নাম আলোরকোল।এ মেলাকে কেন্দ্র করে অনেকই অস্থায়ী দোকানপাট বসার পাশাপাশি বাউল,কবিগান,কীর্ত্তন,জারি ও গাজিরগানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।রাস পূর্ণিমায় সারা রাত অনুষ্ঠান দেখার পরে ভোরে প্রথম জোয়ারে সবাই পূর্ণস্নান করতে সমুদ্রের পাড়ে আসেন।

এ সময় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূর্ণিমায় সাগরের জোয়ারের নোনাজলে স্নানের মধ্যদিয়ে পাপমোচন এবং মনস্কামনা পূর্ণের আশায় মন্ত্র উচ্চারণ করে ফুল, মিষ্টি, ফলমূল ও জীবজন্তু উৎসর্গ করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2022

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X