1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় ভোর ৫:১৫
শিরোনাম
বানিয়াচংয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত যেভাবে নানাকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখে নাতি! আটাইশ গ্রামের চরাঞ্চলের সেতুটি ৪ বছরেও ‘সোজা’ হয়নি হবিগঞ্জে ৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদপ্রার্থীসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৫৮ জন। মাধবপুরে ৫০ বছর পেরিয়েও নেই কোনো বাস টার্মিনাল জনদুর্ভোগ চরমে দেখার কেউ নেই। কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের আয়োজনে শেখ রাসেলের জন্মদিনে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কুড়িগ্রামে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত মাধবপুরে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪জন। ঠাকুরগাঁও রুহিয়ায় পুলিশের গাড়ীর ধাক্কায় গুরুতর আহত ১ ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইনের দাবীতে স্বারকলিপি প্রদান।

কোরআন হাদীসের আলোকে আহলে হাদীসদের উত্থানের প্রেক্ষাপট

বাকী বিল্লাহ, (পাবনা) জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : সোমবার, নভেম্বর ২৩, ২০২০,
  • 736 দেখুন

তথা কথিত আহলে হাদীস একটি নতুন উদ্ভাবিত দল।”খায়রুল কুরুন”বা উত্তম যুগের কোন এক যুগেও এদের অস্তিত্ব ছিলো না। এমনকি ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস খুজলে দেখা যায়, উপমহাদেশে ইংরেজ শাসন আমলের পূর্বে এ দলটির কোন হদীসই ছিলোনা। সর্বপ্রথম ভারত বর্ষেই এদের উত্থান হয়। মুলতঃ এ দলটির উত্থান ব্রিটিশ সরকারের কৃপা ও নেক নজরেরই বিষফল। ব্রিটিশরা যখন উর্মি চাঁদ, রায়বল্লভ ও মীর জাফরদের বিশ্বাস ঘাতকতার ফলে এ উপমহাদেশে তাদের অভিশপ্ত পা রাখলো তখন নিজেদের ক্ষমতা স্থায়ী করার লক্ষ্যে প্রথমতঃ তারা মুসলমানদের মাঝে অনৈক্যের বীজ রোপণ করার হীন পায়তারা শুরু করলো। কূটকৌশল, চতুরতা এবং শয়তানি বুদ্ধিতে পারদর্শী ব্রিটিশরা “ডিভাইড এন্ড রুল” অর্থাৎ প্রজা ও সাধারণ মানুষের মাঝে লড়াই এবং মতানৈক্য সৃষ্টি কর- এ মূলনীতি প্রয়োগ করলো। এ মূলনীতিকে সামনে রেখে অখণ্ড ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী একমাত্র বৃহৎ শক্তি মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে অনৈক্যে-অমিল ও পারস্পরিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করার হীন মানসে তারা সর্বপ্রথম আঘাত হানলো মাযহাবের উপর। এর কারণ হলো, ব্রিটিশ সরকার ভালো করেই জানতো যে,ভারত বর্ষের সকল মুসলমান নির্দিষ্ট একটি মাযহাবের অনুসরণ করার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ থাকলে তাদেরকে কোনদিনই পরাস্ত করা সম্ভব হবে না। তাই কৌশলে তাদের মধ্যে অনৈক্য এবং ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে দিতে হবে। তাদের একতার ভীতে আঘাত হানতে হবে। আর এ জন্যে সর্বপ্রথম মাযহাবী স্বাধীনতা প্রদান করা হবে। মাযহাব অনুস্বরণের বাধ্য বাধকতা উঠিয়ে নেয়া হবে। সরাসরি কোরআন সুন্নাহ দেখে দেখে আমল করার প্রতি মুসলমানদের কে উদ্বুদ্ধ করা হবে। এতে ব্রিটিশদের নিজেদের যেমন উপকার হবে তেমনি ক্ষতি হবে মুসলমানদের।নিজেদের এ উদ্দেশ্য একশো ভাগ সফল করার লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন লালা-ভোলা দিয়ে স্বার্থান্বেষী কতিপয় নামধারী আলেমকে হাত করে। তাদেরই মুখ দিয়ে উপরোক্ত স্লোগান গুলো বের করায়। ফলে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি শুরু হয়।মুসলমানরা পরস্পর আত্মকলহে লিপ্ত হয়ে পড়ে। আর অপর দিকে ব্রিটিশরা তাদের ফায়দা লুটতে থাকে। বর্তমানে যেমন মুসলমানরা পরস্পর কাঁদা ছোড়াছুড়িতে লিপ্ত। আর এ সুযোগে ইসলাম বিরোধীরা ফায়দা লুটছে। মুসলমানরা হয়তো বুঝতেই পারছেন না যে, তাদের মধ্যকার পরস্পর অনৈক্যের কারনে ইসলামের কত বড় ক্ষতি হচ্ছে। এবিষয়টি তারা বেমালুম ভুলেই গিয়েছে। বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের চিত্র একই। তখনও মুসলমানদের ঠিক তাই হয়েছিল। মুলতঃ ব্রিটিশদের এ অশুভ চিন্তা ও ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ আহলে হাদিস বা লা-মাযহাবীদের উত্থান ঘটে। কালক্রমে এ ফেতনার উদরেই সৃষ্টি হয় ইমাম না মানার ফেতনা,মাযহাব না মানার ফেতনা,কাদিয়ানী ফেতনা,শেষ নবী না মানার ফেতনাসহ আরও বহু ফেতনা।(প্রশ্নঃ প্রকৃত আহলে হাদিস কারা) আহলে হাদিস অর্থ হচ্ছে হাদিসের অনুসারী, হাদিসের ধারক- বাহক বা হাদিস শাস্ত্রে পারদর্শী ইত্যাদি। এখন আমরা যদি আহলে হাদীস এর উপরোক্ত অর্থের চুলচেরা বিশ্লেষণ করি তাহলে আমাদের সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, প্রকৃত অর্থে আহলে হাদীস কারা?। আমাদের দেশের দাবিদার তথাকথিত লা-মাযহাবিরাই সত্যিকারের আহলে হাদিস নাকি হানাফি মাজহাব এর অনুসারীরাই সত্যিকারের আহলে হাদিস?। মুসলিম মিল্লাতের উপকারার্থে নিম্নে এ বিষয়ে তাত্বিক আলোচনা পেশ করার চেষ্টা করছি। প্রিয় পাঠক! পুর্ব যুগে আহলে হাদিস ছিলো একটি সম্মানিত উপাধি। কেননা, তখন আহলে হাদীস কেবল তাদেরকেই বলা হতো,যারা সনদ?(হাদীস বর্ননাকারীদের নামের পরম্পরা)ও মতন (মুল হাদিস)সহ লক্ষ লক্ষ হাদিস মুখস্থ রাখতে সক্ষম ছিলেন। তারাই ছিলেন প্রকৃতপক্ষে হাদিস শাস্ত্রে পারদর্শী এবং হাদিসের ধারক-বাহক। আর সত্যিকারার্থে তারাই ছিলেন আহলে হাদীস।

পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে,বর্তমানের তথাকথিত আহলে হাদীসদের উত্থান হয়েছে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলে স্বয়ং ব্রিটিশদেরই ছত্রছায়ায়। প্রথম তাদের নাম ছিলো লা-মাযহাবী। এ লা-মাযহাবীরা যখন দেখতে পেল যে, আহলে হাদীস উপাধি খুবই সম্মানিত একটি উপাধি। আর সমাজে যারা আহলে হাদীস আছেন, মানুষের কাছে তারা অত্যন্ত সমাদৃত হচ্ছেন। প্রকৃত আহলে হাদীস তথা হাদীস এর বড় বড় ইমামদের সম্মানে ঈর্ষান্বিত হয়ে তৎকালীন সেই লা-মাযহারীরাই নিজেদের নাম নিজেরাই নির্বাচন করে নিল “আহলে হাদীস” হিসেবে। মুলত তখন থেকেই তারা আহলে হাদীস বলে নিজেদের পরিচয় দেয়া শুরু করলো। প্রকৃত অর্থে বর্তমান আহলে হাদিসরা পুর্ববর্তী হাদীসের বড় বড় ইমামদের নামের সাথে মিলিয়ে নিজেদের নাম রেখে তারা পুর্ববর্তীদের সাথে এক প্রকারের প্রতারণা করেছে। কেননা পুর্ববর্তী আহলে হাদিসরা ছিলেন হাদিস শাস্ত্রের বিজ্ঞ পন্ডিত ও ধারক বাহক। তাদের একেকজন ছিলেন হাদীসের বিশাল বিশাল ইমাম। হাদীস সংরক্ষণ ও বর্ননায় তারা ছিলেন পারদর্শী।

হাদীসের সনদ ও মতনসহ তাদের প্রত্যেকের লক্ষ লক্ষ হাদিস মুখস্থ ছিলো। অপরদিকে বর্তমানে নামধারী তথাকথিত আহলে হাদীসদের অবস্থা এর সম্পুর্ন বিপরীত। কারণ বর্তমান আহলে হাদীসদের অধিকাংশই জেনারেল শিক্ষিত মানুষ। তারা “বোখারী শরীফ” থেকে দু’একটা হাদীস মুখস্থ করেই লাফালাফি করে। তাও আবার বাংলা হাদীস। তাদের আরবি হাদীসতো বলারই ক্ষমতা নেই। কারণ তাদের অধিকাংশের পড়ারই ক্ষমতা নেই।তারাতো ছোট বেলায় আরবি শেখে নাই। তারা পড়াশোনা করছে জেনারেল লাইনে। আরবি শিখবেই বা কোত্থেকে? মুসলিমের ঘরে জন্ম নিয়েছে ঠিকই। কিন্তু অতীতে দীর্ঘদিন নামাজ কালামের ধারও ধারে নাই। এখন বড় হওয়ার পর অন্তরে পরকালীন ভয় ঢুকেছে। তাই ইসলাম সম্পর্কে জানতে মন চায়। সে উদ্দেশ্যে বাংলা মিডিয়ামের কিছু ইসলামি বই পুস্তক ক্রয় করে নিজে নিজেই পড়া শুরু করে দেয়। যেহেতু তারা জেনারেল শিক্ষিত মানুষ, বই পরবার অভ্যাস তো পুর্ব থেকেই আছে। তাই ইসলামি বই গুলো পড়তে থাকে এবং নিজে নিজেই ফতোয়া দিতে থাকে। তারা বিজ্ঞ আলেমদের স্বরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না। পুর্ব ইমামদের কথার প্রতি কোন রকম ভ্রুরুক্ষেপও করে না। যদিও আহলে হাদীসদের পক্ষেও কতিপয় আলেম রয়েছে। কিন্তু আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যেটা ধরা পড়ে, সেটা হলো- তাদের আলেমগন সম্ভবত কেবল ঐ সকল কোরআনের আয়াত এবং হাদীসেরই আলেম, যেগুলো তাদের দলিল হতে পারে। এগুলোর বাইরেও যে আরো বহু সংখ্যক কোরআনের আয়াত এবং হাদিস রয়েছে, সেগুলো হয়তো তাদের জানাই নেই। আর একটি বিষয় হলো- আহলে হাদীসদের পক্ষের আলেমগন কোরআন- হাদিস এর শুধু বাহ্যিক অবস্থা দেখেই ফতোয়া দিয়ে থাকেন। এর গভীরে তারা ঢুকেনও না বা ঢুকার চেষ্টাও করেন না। আর হানাফি আলেমগন কোরআন হাদিস নিয়ে প্রচুর গবেষণা করেন এবং সেগুলোর গভীরে প্রবেশ করে সেগুলোর অন্তর্নিহিত ভেদ করে বের করে নিয়ে আসেন। এরপরেই তারা ফতোয়া দেন। শুধু কোরআন হাদীসের বাহ্যিক অবস্থা দেখেই হানাফি আলেমগন কখনো ফতোয়া দেন না। প্রিয় পাঠক! তাহলে এখন আপনারাই বলুন, প্রকৃত আহলে হাদীস কারা?। হানাফিগন নাকি তথাকথিত নামধারী আহলে হাদীসরা। পবিত্র কোরআন নিয়ে গবেষণার প্রতি গুরুত্বারোপ করে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ” তারা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো পক্ষ হতে হতো, তবে এতে তারা অবশ্যই বহু বৈপরীত্য দেখতে পেতো। আর যখন তাদের কাছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি সংক্রান্ত কিংবা ভয় সংক্রান্ত, তখন তারা সেগুলোকে (মানুষের মাঝে) রটিয়ে বেড়ায়। তারা যদি সেগুলো পৌছিয়ে দিতো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত কিংবা তাদের মধ্য থেকে উলুল আমর(গভীর জ্ঞানের অধিকারীদের) পর্যন্ত। তাহলে তারা অনুসন্ধান করে দেখতে পারতো সেসব বিষয়, যা তাতে রয়েছে অনুসন্ধান করার মতো। বস্তুত আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুনা যদি তোমাদের উপর বিদ্যমান থাকতো, তবে তোমাদের অল্প কতিপয় লোক ব্যতীত সবাই শয়তানের (পদাঙ্ক) অনুস্বরণ করতে শুরু করতো। ( সুরা আন্ নিসা, আয়াত: ৮২-৮৩)।

উপরোক্ত আয়াত দ্বারা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে যে, ইসলামি শরীয়তের কোন বিষয় সম্পর্কে কারো যদি বুঝতে সমস্যা হয়,তাহলে সেটা উলুল্ আমর তথা কোরআন হাদীসে গভীর জ্ঞানের অধিকারী আলেম- উলামদের নিকট থেকে জেনে নিতে হবে। ইসলামের কোন জটিল বিষয় এর সিদ্ধান্ত কেউ নিজের বুঝ অনুযায়ী দিলে চলবে না। ইসলামের কোন বিষয়ে মনগড়া কথা বলা জায়েজ নেই। বরং তার সমাধানে ওলামায়ে কেরামগনের স্বরণাপন্ন হতে হবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা। কিন্তু আমাদের আহলে হাদীস ভাইদের অবস্থা এর সম্পুর্ন বিপরীত। তারা ইসলামের জটিল বিষয়ে বিজ্ঞ উলামায়ে কিরামের স্বরণাপন্ন হওয়াতো দুরের কথা, বরং তারা আরো উলামায়ে কিরামের ভুল ধরে থাকে। যেন আলেমদের চেয়ে তারাই বেশি জানে। তারা নিজেদের অবস্থার প্রতি একটুও লক্ষ্য করে না যে, তারা জেনারেল শিক্ষিত। আরবি জানেনা। আবার কেউ কোন মতে আরবি পড়তে পারলেও আরবি গ্রামারসহ অন্যান্য নিয়ম কানুন জানেনা। তাহলে তারা কিভাবে আরবি থেকে বাংলা অনুবাদ করবে?। এরপরও তাদের যে হাবভাব মনে হয় তারাই সব জানে। আলেমগন কিছুই জানেন না। বিশেষ করে হানাফি মাজহাব এর প্রতি তাদের আক্রোশ বেশি। আর হানাফি মাজহাব এর প্রধান তথা ইমাম আবু হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর বিরুদ্ধে তাদের নানা প্রশ্ন ও হাজারো আপত্তি। আমি আমার আহলে হাদীস ভাইদের জন্যে সবসময়ই দোয়া করি আল্লাহ পাক যেন তাদের সঠিক বুঝ দান করেন। ইদানিং আবার আহলে হাদিস এর চেয়েও অধিক বাড়াবাড়িকারি আরেক দল বের হয়েছে, তারা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদিসও মানতে চায় না। তারা শরিয়তের সব বিষয়ে শুধু বলে কোরআন থেকে দলিল দেখাও। কোরআন ছাড়া কিছু মানিনা, মানবো না। এরা একেবারেই ভ্রান্ত একটি দল। এদের ভ্রান্ত হওয়ার বিষয়টি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। পুর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, আহলে হাদীস ভাইদের সাথে ঝগড়া মারামারির উদ্দেশ্যে আমি এ পুস্তক লিখতে বসিনি। কারণ, তারা আমাদের মুসলমান ভাই। তাদের সাথে আমাদের জমিজমা বা অন্য কোন ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে কোন্দল নেই।

পুস্তকটি লেখার আসল উদ্দেশ্য একটিই। আর তা হলো আহলে হাদীস ভাইয়েরা যে ইসলামের সকল বিষয়ে বাড়াবাড়ি করে থাকে এবং হানাফিদের বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়ে থাকে যে, তাদের পক্ষে নাকি কোরআন সুন্নাহর কোন দলিল নেই। সেই কথাটিই তাদের স্বরণ করিয়ে দেয়া এবং তাদের এ অপবাদ ও ভ্রান্ত অভিযোগ পরিহার করার জন্য অনুরোধ জানানো। এছাড়া অন্য কোন মন্দ উদ্দেশ্য আমার অন্তরে নেই।

লেখকঃ (হাফেজ মাওলানা মুফতি কামাল হোসাইন রহমানী) ট্রিপল এম,এ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X