1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় রাত ১:২৬
শিরোনাম
কানিজ ফাতেমা হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সরকারি বনের গাছ কাটায় ভালুকায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বানিয়াচং তাহফিজুল কোরআন ফাউন্ডেশন’র কাউন্সিল সম্পন্ন ময়মনসিংহে ৯৯৯ এ ফোন করায় বাল্যবিয়ে-বন্ধ বনকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ময়ালদের পাশ পারমিট আটকে রেখে লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে নদী ভাঙ্গন রোধে পরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে শয়নক্ষ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার বানিয়াচংয়ে স্টার ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী শিল্প মন্ত্রীর পক্ষে মোটর বাইক শোডাউন করে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। শত্রুতার বিষে মরল ১৫ লাখ টাকার মাছ

কোরআন হাদিসের আলোকে একটি প্রশ্ন ও তার সমাধান

বাকী বিল্লাহ, (পাবনা) জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০,
  • 158 দেখুন

প্রশ্নঃ সাধারণ মুসলমানের মনে প্রায়ই একটি প্রশ্ন দেখা যায় এবং তারা তা মাঝে মধ্যে প্রকাশও করে থাকে। প্রশ্নটি হলো- আহলে হাদিসরা কথায় কথায় বোখারী শরীফ এর হাদিস দিয়ে দলিল দিয়ে থাকে, আমরাতো তা পারি না, তাহলে আমাদের আমল কি ঠিক হচ্ছে না?

সমাধানঃ- আমরা ভুমিকাতেই উল্লেখ করেছি যে, ইসলামি শরিয়তের কতিপয় বিষয়ে স্বয়ং রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই বৈপরিত্যপুর্ন আমল সম্বলিত হাদিস পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু সেগুলো ইসলামের মৌলিক কোন বিষয় নয়।বরং নফল, মুস্তাহাব, বা বড়জোর সুন্নাত বিষয়।যে সকল বৈপরিত্যপুর্ন হাদিসের মধ্য থেকে একেকটি হাদিস একেকজন ইমাম গ্রহণ করেছেন। সে হিসেবে ইমাম বোখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার পছন্দের হাদিস গুলোই গ্রহণ করেছেন এবং সেগুলো নিজ কিতাব তথা “বোখারী শরিফে” উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এর বিপরীত হাদিসকে তো অস্বীকার করেননি।ইমাম বোখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর তিন লক্ষ হাদিস মুখস্থ ছিলো। এছাড়া আরও তিন লক্ষ হাদিস তার সংগ্রহে ছিলো। মোট ছয় লক্ষ হাদিস তার সংগ্রহে ছিলো। এ বিশাল হাদিস ভান্ডার থেকে মাত্র সাত হাজার তিন শত সাতানব্বইটি হাদিস তিনি স্বীয় গ্রন্থ “বোখারি শরিফে” উল্লেখ করেছেন। কারো কারো মতে এতে উল্লেখিত হাদিসের সংখ্যা এর চেয়েও কিছু কম হবে। এর মধ্যে আবার অনেক হাদিস পুনরাবৃত্তি হয়েছে। তথা বারবার উল্লেখ হয়েছে। পুনরাবৃত্তি হাদিস গুলো বাদ দিলে এতে উল্লেখিত হাদিসের সংখ্যা মাত্র দুই হাজার পাঁচশত তেরোতে গিয়ে পৌঁছে। এ পরিমাণ হাদিস হাদিস ইমাম বোখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি স্বীয় কিতাব “বোখারী শরীফে” উল্লেখ করে তিনি নিজেই বলেছেন,কিতাব অনেক দীর্ঘ হওয়ার আশংকায় আমি আমার কিতাব “বোখারী শরিফে”এ পরিমাণ হাদিসই উল্লেখ করেছি। আমার সংগ্রহের সব হাদিস এতে উল্লেখ করতে পারিনি। এতে উল্লেখিত হাদিস গুলো ছাড়াও রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আরো অসংখ্য সহীহ হাদিস রয়েছে। যেগুলো হাদিসের অন্যান্য কিতাবে উল্লেখিত হয়েছে। পিয় পাঠক! ইমাম বোখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর নিজের কথার দ্বারাই বোঝা গেলো যে,সহীহ হাদিস শুধু “বোখারী শরিফের” মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।এছাড়াও হাদিস এর অন্যান্য কিতাবে আরো অনেক সহীহ হাদিস রয়েছে। আমিতো বলতে চাই “বোখারী শরিফে”তো মাত্র অল্প কিছু সহীহ হাদিস উল্লেখ হয়েছে। তাহলে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্য সব হাদিস কোথায় গেলো? নিশ্চয়ই সেগুলো হাদিসের অন্যান্য কিতাবে আছে। তাহলে আহলে হাদিস ভাইয়েরা কোন হাদিস বোখারি শরীফে না পেলেই যে তা অস্বীকার করে, যদিও তা সহীহ হাদিসের অন্যান্য কিতাবে উল্লেখ থাকে। এটাকি তাদের করা উচিৎ হচ্ছে? আমার মতে তাদের এমন করা আদৌ উচিৎ হচ্ছে না। এরপরও তারা বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে ফেতনা বিশৃঙ্খলা ছড়াচ্ছে। সমাজে সাধারণ বিষয় নিয়ে গ্রুপিং হিংসা বিদ্বেষ ঝগড়া মারামারি লাগিয়ে দিচ্ছে।একদল অপর দলের সাথে কথা বলা,কুশল বিনিময় করা এমনকি পরস্পর সালাম আদান-প্রদান পর্যন্ত বন্ধ করে দিচ্ছে। যার ফলে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে,আমাদের অনেক সরলমনা মুসলমান তাদের প্রচারে প্রভাবিত হয়ে তারা আজ দ্বিধা দ্বন্দে লিপ্ত হয়ে পড়ছে এবং প্রশ্ন তুলছে যে, তাহলে আমরা কোনটা আমল করবো? এতদিন যেভাবে আমল করেছি সে পদ্ধতি কি তাহলে ভুল ছিলো?। নানা প্রশ্ন জন্ম নিচ্ছে তাদের মনে। আর এটা হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ আমরা আলিম সমাজই যদি জেনে বুঝে সাধারণ বিষয় নিয়ে পরস্পর কাদা ছোড়াছুড়ি করি তাহলে সাধারণ মানুষেরতো আরও বেশি করার কথা। তাই এমন বদ অভ্যাস থেকে আমাদের আলিম সমাজের অবশ্যই বেরিয়ে আশা উচিৎ। অতএব পরিশেষে আমি দরদ ভরা কন্ঠে আমার আহলে হাদিস ভাইদেরসহ অন্যান্য সকল গ্রুপের মুসলিম ভাইদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি,আসুন! বর্তমান এধরণের ফেৎনা ফেসাদের সময় যখন বিশ্বের সর্বক্ষেত্রে মুসলমানরা নির্যাতিত নিপীড়িত ও নিষ্পেষিত। এমতাবস্থায় ছোট খাটো মত ভেদের পেছনে পড়ে মুল্যবান সময় নষ্ট না করে আমরা বরং আমাদের নির্যাতিত মুসলিম ভাইদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তাদেরকে নিয়ে ভাবি ও তাদের পেছনে সময় ব্যয় করি। যথাসাধ্য তাদেরকে সাহায্য সহোযোগিতা করি। এতে তারা যেমন উপকৃত হবে তেমনি আমরাও উপকৃত হব এভাবে যে, আমাদের মধ্যে একতার বন্ধন গড়ে উঠবে। পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি বিরাজ করবে। আর এমন পদক্ষেপে মহান আল্লাহ তায়ালাও আমাদের প্রতি খুশি হবেন। আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের একতাবদ্ধ জীবন যাপনকেই পছন্দ করেন এবং মতভেদপুর্ন জীবন যাপনকে অপছন্দ করেন। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে মহান আল্লাহ তায়ালা একতাবদ্ধ জীবন যাপন এর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এবং মতভেদপুর্ন জীবন যাপন এর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। অতএব আসুন, আমরা নিজেদের মধ্যকার ছোট ছোট সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এসকল ভেদাভেদসহই মুসলমানদের বৃহৎ বৃহৎ স্বার্থে এক প্লাটফর্মে দাঁড়াই।
আমার বিশ্বাস উপরে উল্লেখিত কোরআনের আয়াত দ্বারা মহান আল্লাহ তায়ালারও এটাই উদ্দেশ্য। কেননা ছোট ছোট কিছু মত পার্থক্য তো থাকবেই। তা সহই বান্দা বৃহৎ বৃহৎ স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরবে। এটাই আল্লাহ পাকের উদ্দেশ্য। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে বিষয়টি উপলব্ধি করে সে অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের তৌফিক দান করুন। আমিন। লেখক:(হাফেজ মাওলানা মুফতি কামাল হোসাইন রহমানী ট্রিপল এম,এ )

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X