1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় বিকাল ৪:৩১

হালুয়াঘাটে পোকা দমনে বিষের বিকল্প আলোক ফাঁদ।

তাপস কর, ময়মনসিংহ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০,
  • 92 দেখুন
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় কৃষি বিভাগ ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিষ বা কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে আলোর ফাঁদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলতি আমন মৌসুমে ধানের ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দমন করার লক্ষ্যে কৃষকদের বাড়িতে বাড়িতে ছুটছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ধারা ইউনিয়নের ধারা ব্লকে গিয়ে দেখা যায় কৃষক নাজমুলের বাড়িতে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ ব্যস্ত আলোক ফাঁদ তৈরিতে।​
আলোক ফাঁদ প্রযুক্তির ব্যবহারে সন্ধ্যা বেলায় বৈদ্যুতিক বাল্ব টাঙানো হয়। বাল্বের নিচে পাত্র রাখা হয়। ওই পাত্রের মধ্যে ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানি থাকে। আকৃষ্ট হয়ে পোকামাকড় আলোর কাছে আসে এবং পাত্রের পানির মধ্যে পড়ে মারা যায়।​
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ধান গাছে ক্ষতিকর বাদামি ঘাসফড়িং, সবুজ ঘাসফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, গান্ধী পোকা, মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ করে। এর মধ্যে বাদামি ঘাসফড়িং বা কারেন্ট পোকা সবচেয়ে ক্ষতিকর।
এ পোকা যে গাছে আক্রমণ করে, সেই গাছের শিষ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ফলন কমে যায়। অনেক সময় ফলন নেমে আসতে পারে শূন্যের কোঠায়। তাই কৃষকদের এই প্রযুক্তির প্রতি আকৃষ্ট করতে প্রতি মঙ্গলবার রাতে কৃষকদের ফসলের জমিতে কৃষি কর্মকর্তারা এ কার্যক্রম চালাবেন।
ধারা ইউনিয়নের কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতাম না। আমরা ক্ষেতে যে পরিমাণ বিষ প্রয়োগ করি তাতে ধান উৎপাদনে খরচ অনেক বেশী হয়। আমি এই পদ্ধতি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। আমি এখন থেকে নিয়মিত এই পদ্ধতি ব্যবহার করবো।​
আরেক কৃষক হামিদ আলী বলেন, আমরা যদি সকল কৃষক এই পদ্ধতি ব্যবহার করি তাহলে আমাদের খরচ অর্ধেকের কমে নেমে আসবে। আমিও এই পদ্ধতি দেখে বাজার থেকে তার ও বাল্ব কিনে নিয়ে এসেছি।
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে প্রতিটি কৃষকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আলোক ফাঁদ এর উপকারিতা সম্পর্কে বলছি। কৃষকরাও আমাদের এই পদ্ধতির উপকারিতা দেখে সারা দিচ্ছেন। আসা করছি সকল কৃষকদের এই আলোক ফাঁদ এর আওতায় নিয়ে আসতে পারবো।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান মুঠো ফোনে এই প্রতিনিধিকে বলেন, কৃষকদের যেন ধান উৎপাদনে খরচ কম হয় সে লক্ষ্যে আমরা প্রতি মঙ্গলবার হালুয়াঘাট উপজেলার সবগুলো ব্লকে একযোগে এই কার্যক্রম চালু করেছি।
প্রতিটি ব্লকে আমাদের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের এই আলোক ফাঁদ তৈরিতে সহায়তা করছেন। হালুয়াঘাট উপজেলার সকল কৃষকগণ আলোক ফাঁদের উপকারিতা সম্পর্কে যেন বুঝতে পারে, সে জন্য উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ইতিমধ্যেই আমরা হাতে নিয়েছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X