1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Fazlul Karim : Fazlul Karim
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় সন্ধ্যা ৬:৩৬
শিরোনাম
মাধবপুরে সাগরিকা পরিবহন বাসের ধাক্কায় ভাই বোনসহ সিএনজির ৩ যাত্রী নিহত। রাগ করে বাইকে আগুন দিয়েছি, পুলিশের দোষ নেই’ আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে এসএসসি এবং ২ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নরসিংদী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত কবি সৈয়দ শামসুল হকের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মাধবপুরে পুজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে থানা পুলিশের সভা ময়মনসিংহে তারা ট্রেনের পেশাদার ছিনতাইকারী সুযোগ বুঝে করে ডাকাতি। ফুলবাড়িয়ায় সেতু নয় যেন মরণ ফাঁদ। পরাজিত প্রার্থীর ষড়যন্ত্রে তালায় নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যানসহ নেতা-কর্মীরা বাড়ি ছাড়া

পাকবাহিনীর হাতে নৃশংস ভাবে খুন হলেও স্বীকৃতি মেলেনি সাফাত উল্লাহর।

ফজলুল করিম ফারাজী,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০,
  • 111 দেখুন

স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি মেলেনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের সাফাত উল্যার।

মুক্তযোদ্ধাদের সহযোগিতা করায় এই ইউনিয়নের রতনপুর(আদর্শপাড়া) গ্রামের বছদ্দি মিয়া ও ছারভান বেগমের একমাত্র পুত্র সাফাত উল্লাহ একাত্তরে স্থানীয় রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। পরে তাকে নাগেশ্বরীতে পাক বাহিনীর ক্যাম্পে নেয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, সাফাত তার ভগ্নিপতির বাড়ি নড়সিংডাংগা যান পাওনা টাকার জন্য।যা নিয়ে তিনি ভারতে যেতেন মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য। ফেরার পথে রতনপুরে একটি দোরামের গাছ ছিল।

ওখানেই রাজাকার গাজী পিয়ন, ইছব সরকার এবং নুর মোহাম্মদ খন্দকার তাকে আটক করেন। পরে তাকে গাজী পিয়নের বাড়িতে নেয়া হয়।খবর পেয়ে আকবর মন্ডল, আমজাদ ব্যাপারী, আজগার ব্যাপারী, আতোয়ার ব্যাপারী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা তাকে ছাড়াতে যান। কিন্তু তাকে ছাড়া হয়নি।পরে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে বড়বাড়ী হয়ে নাগেশ্বরী ক্যাম্পে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাফাত উল্লাহর চাচাতো ভাই নুর ইসলাম জানান, জ্যাঠা ( সাফাত উল্লাহর বাবা) আমাকে সাথে নিয়ে বিহারি ক্যাম্পে যান সাফাত উল্যাহ কে ছাড়াতে।

৫-৬ দিন অনবরত যাওয়ার পরেও সাফাতের সাথে আমাদের দেখা করতে দেয়া হয় নি। বাধ্য হয়ে সেখানে পিস কমিটির আব্দুল হক প্রধানের হাতে পায়ে পড়ে অনুরোধ করি কিন্তু তিনি স্বাক্ষী দেন যে তিনি সাফাত কে চেনেন না। পরদিন নাগেশ্বরী গোরধার ব্রীজ থেকে সাফাত কে কেটে টুকরো টুকরো করে নদীতে ফেলা হয়। তার লাশটাও আমাদের কপালে জোটেনি।

স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদ হোসেন বলেন, আমি, আহম্মদ আলী এবং মোরেন এই তিনজন সাফাতের সাথে কথা বলে মুক্তিযুদ্ধে যাই।সে মুক্তিযোদ্ধাদের এলাকার খবরাখবর দিত। সে নিজেও যুদ্ধে অংশগ্রহনের প্রস্তুতি নেয় কিন্তু রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।

তিনি সরকারের কাছে দাবী জানিয়ে বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেন সাফাত উল্লাহর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

স্থানীয় সংগঠক ও আদর্শপাড়া নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পর আমরা শহীদ সাফাত উল্যার নাম জানতে পেরেছি।

পরবর্তী প্রজন্ম যেন শহীদ সাফাতের অবদান ভুলে না যায় তাই তার স্মৃতি রক্ষার্থে রতনপুর থেকে খাপখাওয়া-মধুরহাইল্যা সড়কটি পাকা করে তা শহীদ সাফাত সড়ক নামকরণ করা হোক।

এলাকাবাসী সাফাত উল্লাহ হত্যার সাথে জড়িত রাজাকারদের বিচার দাবী করেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সত্য প্রকাশে স্বাধীন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X