1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Saiydul Islam : Saiydul Islam
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ভীড়, আগ্রহ নেই করোনা পরিক্ষায় - Shadhin Bangla 16
আজ ২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ সময় সন্ধ্যা ৭:৩৮
শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলে র‍্যাবের অভিযান: বিদেশী মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক মৌলভীবাজারে ল্যাকটেটিং মায়েদের জন্য হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গলাচিপায় গৃহবধুকে মারধর করলেন ভাশুর গলাচিপা পৌরবাসীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ নেতা নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে -মির্জা ফখরুল বাগেরহাটের শরণখোলায় উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী শান্ত জয়ী। মৌলভীবাজারে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত গলাচিপায় ক্ষেতের পোকা-মাকড় দমনে আলোক ফাঁদ নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে – ফখরুল রাণীশংকৈলে শালবন রক্ষার্থে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির মানববন্ধন !

বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ভীড়, আগ্রহ নেই করোনা পরিক্ষায়

বাকী বিল্লাহ: (পাবনা) জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০,
  • 84 দেখুন
Bera Hospital  6 বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ভীড়, আগ্রহ নেই করোনা পরিক্ষায়

পাবনার বেড়া উপজেলায় বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। উপজেলার প্রায় প্রতিটি ঘরেই এখন এ ধরনের রোগী। তাঁদের মধ্যে জ্বর নিয়ে ভয় থাকলেও করোনা পরীক্ষায় তেমন কোন আগ্রহ নেই। এদিকে উপজেলায় বেশ কয়েক দিন ধরে দিনে প্রচণ্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা পড়ছে। তাপমাত্রার এ তারতম্যের কারণেই সর্দি-জ্বর বেড়ে গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

তবে করোনা মহামারির এই সময়ে যে কারণেই সর্দি-কাশি-জ্বর দেখা দিক না কেন, অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শুরু থেকে গত রোববার পর্যন্ত উপজেলায় মাত্র ২৩০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৭ জন। তাঁদের কেউ মারা না গেলেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বেড়ায় এ পর্যন্ত মোট দুজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

InShot 20200915 174714217 1 বেড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ভীড়, আগ্রহ নেই করোনা পরিক্ষায়

ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন উপজেলার বেশির ভাগ বাড়িতেই কেউ না কেউ জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত। তাঁদের বেশির ভাগই বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে উপসর্গের কথা বলে ওষুধ কিনে সেবন করছেন। এভাবে ইতিমধ্যে অনেকে সুস্থ হয়েও উঠছেন।

আবার কেউ কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়েও চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘উপজেলায় সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপক বেড়েছে। আমাদের বহির্বিভাগে এখন প্রতিদিন গড়ে ২০০ রোগী আসছেন।

এসব রোগীর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত। ওষুধে ভালো হয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। এ ছাড়া আমরা লক্ষ করছি, অনেক রোগীরই উচ্চ তাপমাত্রা, অর্থাৎ ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর উঠে যাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ ওষুধে তিন থেকে চার দিনে তাঁরা সুস্থ হয়ে উঠছেন। গতকাল বেড়া পৌর এলাকার একটি বাড়িতে কাজ করছিলেন এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি তিনি জানান, তিন দিন আগে তাঁর জ্বর আসে।

এতে বাজারের একটি ফার্মেসিতে গিয়ে উপসর্গের কথা বলে অ্যান্টিবায়োটিক, প্যারাসিটামলসহ আরও কয়েকটি ওষুধ কিনে খেয়েছেন। এখন আর জ্বর নেই। তবে শরীর খুব দুর্বল। এদিকে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর বেশির ভাগ রোগীই মারাত্মক দুর্বল হয়ে পড়ছেন। দুর্বল শরীরে জ্বর নিয়েও অনেকে বাজারঘাটসহ জনসমাগমের এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

বিষয়টিকে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসকেরা। বেড়ার ৪ থেকে ৫ টি ওষুধের দোকানের বিক্রেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়। তাঁরা জানান, সর্দি-কাশি-জ্বরের ওষুধ বিক্রি ব্যাপক বেড়ে গেছে। যা অবস্থা, তাতে মনে হয় এখন ঘরে ঘরে জ্বর। এ ধরনের বেশির ভাগ রোগী বা রোগীর স্বজন চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে তাঁদের কাছে এসে উপসর্গের কথা বলে ওষুধ নিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক বিড়ম্বনাসহ নমুনা পরীক্ষায় জটিলতা ও আস্থাহীনতার কারণে জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত তেমন কেউ করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা মনে করছেন, করোনা হোক আর সাধারণ জ্বর হোক, তা সাধারণ চিকিৎসাতেই ভালো হয়ে যাবে। এ ছাড়া এর আগে নমুনা দেওয়ার পর অনেকেই ৮ থেকে ১০ দিন বা তারও বেশি সময় পর পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন। কিন্তু তত দিনে তাঁরা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করলেও পজিটিভ হওয়ার কারণে পরিবারসহ লকডাউনে যেতে হয় তাঁদের। তাঁদের কেউ কেউ সামাজিক হেনস্তার শিকারও হন।

এ কারণে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই করোনা পরীক্ষায় নেই আগ্রহ।
বেড়া পৌর এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চাকরিজীবী জানান, ৬-৭ দিন ধরে তিনিসহ তাঁর পরিবারের সবারই জ্বর-কাশি চলছে। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবনে কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি সুস্থ হননি কেউ। এ অবস্থায় ঝামেলা ও বিড়ম্বনার ভয়ে করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তাঁরা।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও বলেন, ‘আমরা নমুনা সংগ্রহ করার পর পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠাই। সেখান থেকে রাজশাহী বা ঢাকার ল্যাবে পাঠানোর পর নমুনার রেজাল্ট আসতে সাত-আট দিন লেগে যায়। ফলে জ্বর-কাশির উপসর্গ থাকা রোগীদের করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ কম। এরপরও অনেকেই নমুনা দিতে আসছেন। তবে তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রয়োজনে আসা লোকজনই বেশি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X