1. mahbubur2527@gmail.com : Mahbubur Rahman Sohel : Mahbubur Rahman Sohel
  2. saidur.yc@gmail.com : SAIDUR RAHMAN : SAIDUR RAHMAN
  3. jannatulakhi1123@gmail.com : Jannatul akhi Akhi : Jannatul akhi Akhi
  4. msibd24@gmail.com : Saiydul Islam : Saiydul Islam
  5. Mofazzalhossain8@gmail.com : Mofazzal Hossain : Mofazzal Hossain
  6. saidur.yc@hotmail.com : Saidur Rahman : SAIDUR RAHMAN
  7. jim42087070@gmail.com : Lokman Hossain : Lokman Hossain
  8. galib.ip2@gmail.com : Al Galib : Al Galib
  9. sikhanphd3@gmail.com : Shafiqul Islam : Shafiqul Islam
আজ ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সময় রাত ১:০৬
শিরোনাম
বাগেরহাটের চিতলমারীতে তুচ্ছ ঘটনায় শিশু ও নারীর ওপর হামলা আহত -৫ মৌলভীবাজারে অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের সনদপত্র বিতরণ মৌলভীবাজারে পরিবহন শ্রমিককে ট্রাফিক কর্তৃক মারধরের ঘটনায় সড়ক অবরোধ পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সমালোচনার ঝড়! ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ভিক্ষুক পুণঃবাসনে সহয়তা প্রদান ! সৌদি আরব তাবুক শহর  আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। মনোহদীতে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধা নিহত। বাগেরহাটে জনশুমারি ও গৃহগননার অবহিতকরন সভা শরনখোলায় দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষে প্রসপারিটি প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত ঘুমিয়ে ছিলো স্বামী ফাঁসির দড়িতে নববধূ সাদিয়া!

মাধবপুরে শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০,
  • 366 দেখুন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মাঠ পর্যায়ে চলছে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ। মহামারী করোনার মহা বিপর্যয়ের মধ্যে এবার উপজেলার লম্বা সময়ের স্থানীয় বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে সরকারি হিসাবেই বলা হচ্ছে।

বন্যা দুর্গত বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকে বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাঝে বন্যায় তারা চরম অসহায় অবস্থায় আছেন। এই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই জমি চাষ করে লাউ, করলা, বেগুন, কায়তাসহ বিভিন্ন শীতকালীন আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাধবপুরের সবজি চাষিরা।

জমি চাষাবাদ শেষ হতে না হতেই শুরু হয় আবার ঝড়-বৃষ্টি। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে আগাম সবজি চাষে অনেক বেশী খরচ হচ্ছে। এরই মধ্যে কৃষকরা সবজি লাগানোর জন্য একের পর এক জমি চাষ করে যাচ্ছেন। একটু খড়া হলেই শুরু হয় জমি চাষের প্রক্রিয়া।

বৈরী আবহাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে এভাবেই সবজি চাষ করার জন্য জমিকে উপযোগী করে তৈরি করছেন চাষিরা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক মাসের মধ্যেই ক্ষেত থেকে উঠবে আগাম শীতকালীন শাকসবজি। বেশি লাভ ও বাম্পার ফলন হবে এমনটাই প্রত্যাশা চাষি ও কৃষি বিভাগের।

বৈরী আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টির কারণে এবারের সবজি চাষাবাদ করতে খরচ বেশি হচ্ছে বলে জানান সবজি চাষিরা। মাধবপুর উপজেলার পূর্ব মাধবপুর গ্রামের সবজি চাষি খোকন মিয়া জানান, এবারের ঝড়-বৃষ্টি বেশি হওয়ার কারণে জমিতে বেশি হাল চাষ করতে হচ্ছে। একটু খরা হলে শুরু হয় চাষাবাদ।

আবার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি। আবার খরা হলে নতুন করে চাষ করতে হয়। এভাবেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে তৈরি করতে হচ্ছে সবজি চাষের জমি। দুর্যোগ যখন আসে চতুর্দিক থেকেই আসে। একদিকে মহামারি করোনা ভাইরাস অপরদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আগাম সবজি চাষ করতে পারছিনা আমরা।

মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে জীবনকে বাঁচাতে যেভাবে যুদ্ধ করতে হচ্ছে আমাদের। ঠিক সেভাবেই আগাম সবজি চাষ করার জন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঝড়-বৃষ্টি সঙ্গে যুদ্ধ করতে হ”েছ। করোনার কারণে অনেক জেলার বেকার যুবকরা চাকরির দিকে না ঝুঁকে নেমে পড়েছেন সবজি চাষে।

আবহাওয়া ভালো থাক আর না থাক তারপরও আগাম সবজি চাষ করতে পিছপা হননি সবজি চাষিরা। বর্তমানে বাজারে কম পাওয়া গেলেও মাসখানেকের মধ্যে সবজিতে ভরপুর হবে মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারগুলো। দাম কিছুটা বেশি হলেও ভোক্তারা স্বাদ নেবেন শীতকালীন আগাম শাকসবজির।

তাই নাওয়া খাওয়া ভুলে দিনরাত সবজি খেতে বাঁশ কেটে মাচা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। উপজেলার বারাচান্দুরা গ্রামের সবজি চাষি ওয়াহাব মিয়া বলেন, ঝড় বৃষ্টির কারণে অনেকে সবজি চাষাবাদ কমিয়ে দিয়েছেন। গতবারে যে চাষি ১০ বিঘা সবজি চাষ করেছিলেন এবারে তা কমে এসেছে ছয় থেকে সাত বিঘায়।

টানা বৃষ্টির কারণে অনেকেই জমিতে পানি থাকার কারণে সবজি চাষ করতে পারেন নাই। এবার সবজি চাষে খরচ অনেক বেশি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দাম ভাল পাবো বলে আশা করছি। কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, গতবারের তুলনায় এবারে জেলায় কম সবজি চাষাবাদ হচ্ছে।

টানা ঝড় বৃষ্টির কারণে এবার হয়েছে সাত হাজার হেক্টর জমিতে। এতে উৎপাদন হবে দুই লাখ মেট্রিক টন শাক-সবজি। মাধবপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সবজির বাম্পার ফলন হবে। এই এলাকার মাটি অনেক উর্বর তাই ফলন বেশি হয়।

এ অঞ্চলের সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কারিগরি সহায়তাসহ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://shadhinbangla16.com © All rights reserved © 2020

theme develop by shadhinbangla16.com
themesbazarshadinb16
bn Bengali
X